- হোম
- নোনা ইলিশ (আস্ত)
নোনা ইলিশ (আস্ত)
"Shutki Ghor Lalpur"-এর আস্ত নোনা ইলিশ ঐতিহ্যবাহী উপায়ে লবণ ও বিশেষ প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে তৈরি। তাজা এবং ডিমওয়ালা/তেলযুক্ত বড় সাইজের ইলিশ মাছ দিয়ে এই নোনা ইলিশ প্রস্তুত করা হয়। এর তীব্র সুঘ্রাণ এবং চমৎকার স্বাদ যেকোনো ইলিশপ্রেমীর মন কেড়ে নেবে। কোনো ক্ষতিকর কেমিক্যাল ছাড়া তৈরি এই আস্ত নোনা ইলিশ দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য।
পণ্যের বিবরণ
নোনা ইলিশ বাঙালির একটি ঐতিহ্যবাহী ও অত্যন্ত জনপ্রিয় খাবার। "Shutki Ghor Lalpur" আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে একদম সনাতন পদ্ধতিতে এবং সম্পূর্ণ হাইজেনিক উপায়ে তৈরি আস্ত নোনা ইলিশ।
সাগরের তাজা এবং চর্বিযুক্ত বড় ইলিশ মাছ সংগ্রহ করে গ্রেড ও পরিমাণমতো লবণ দিয়ে এটি ম্যাজিক্যালি প্রসেস করা হয়। আমাদের নোনা ইলিশে মাছের ভেতরের তেল এবং আসল স্বাদ একদম অটুট থাকে। বাজারে অনেক সময় বাসি বা নরম হয়ে যাওয়া ইলিশ দিয়ে নোনা ইলিশ তৈরি করা হয়, যা খেতে ভালো লাগে না। কিন্তু আমরা কোয়ালিটির ব্যাপারে কোনো আপস করি না। নোনা ইলিশের ভুনা, বেগুন দিয়ে ঝোল কিংবা কচুর মুখী দিয়ে রান্না অতুলনীয় স্বাদ এনে দেয়। রান্নার সময় ঘরজুড়ে ইলিশের যে সুঘ্রাণ ছড়ায়, তাতেই ক্ষুধা দ্বিগুণ হয়ে যায়। এটি রান্নার পূর্বে পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে অতিরিক্ত লবণ বের করে নিতে হয়।
প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ
- আস্ত বড় ইলিশ: ছোট বা টুকরো নয়, বড় সাইজের আস্ত ইলিশ মাছ দিয়ে তৈরি।
- ঐতিহ্যবাহী স্বাদ: পারফেক্ট সল্টিং প্রসেসের কারণে আসল নোনা ইলিশের স্বাদ ও ঘ্রাণযুক্ত।
- কেমিক্যালমুক্ত: লবণ ছাড়া অন্য কোনো কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়নি।
- চর্বি ও তেলযুক্ত: ভালো মানের চর্বিযুক্ত ইলিশ হওয়ায় রান্না নরম ও সুস্বাদু হয়।
- দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য: সঠিক নিয়মে রাখলে এটি দীর্ঘ সময় নষ্ট হয় না।
উৎপত্তি ও সংগ্রহ
চট্টগ্রাম এবং চাঁদপুরের তাজা ইলিশ থেকে উপকূলীয় ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাতকৃত।
উপযোগী রান্না
- নোনা ইলিশের তেল-পেঁয়াজের ঝাল ভুনা।
- কচুর মুখী বা ওল কচু দিয়ে নোনা ইলিশের ঝোল।
- নোনা ইলিশের কাঁটা বেছে তৈরি করা স্পেশাল ভর্তা।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
লবণাক্ত থাকায় এটি সাধারণ তাপমাত্রায় বেশ কিছুদিন ভালো থাকে। তবে এয়ারটাইট পাত্রে ভরে ফ্রিজের নরমাল বা ডিপে রাখলে ১ বছরেরও বেশি সময় ভালো থাকে।
প্যাকেজিং তথ্য
লবণ ও আর্দ্রতা ধরে রাখতে থিক ফুড-গ্রেড প্যাকেজিংয়ে এটি সুরক্ষিতভাবে প্যাক করা হয়।
মূল বৈশিষ্ট্য
- বাঁশের চাটায় প্রাকৃতিক ভাবে প্রক্রিয়াজাত, কোন রাসায়নিক নেই।
- প্রাকৃতিক ভাবে প্রক্রিয়াজাত, কোন রাসায়নিক নেই।
- দীর্ঘস্থায়ী ফ্রেশনেস বা সতেজতার জন্য ওডোর-লক (দুর্গন্ধরোধী) ভ্যাকুয়াম প্যাকেজিং।
- ১০০% কাঁকর এবং বালুমুক্ত কোয়ালিটির নিশ্চয়তা।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
আমাদের শুঁটকি পণ্য সম্পর্কিত কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর নিচে দেওয়া হলো
জী, আমাদের প্রতিটি শুঁটকি সম্পূর্ণ শতভাগ কেমিক্যাল ও বিষমুক্ত ঐতিহ্যবাহী উপায়ে রোদে শুকানো হয়। লালপুর এবং কক্সবাজারের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে কোনো প্রকার ক্ষতিকারক প্রিজারভেটিভ ছাড়াই এগুলো প্রস্তুত করা হয়।
যেহেতু আমাদের শুঁটকিতে কোনো কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ নেই, তাই স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এয়ারটাইট বক্সে রাখলে ২-৩ মাস ভালো থাকে। তবে নরমাল ফ্রিজে রেখে দিলে ৫-৬ মাস এবং ডিপ ফ্রিজে রাখলে ১ বছর পর্যন্ত এর স্বাদ ও গুণগত মান একদম অক্ষুণ্ণ থাকে।
ঢাকার মধ্যে সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ডেলিভারি দেওয়া হয়। আর ঢাকার বাইরে জেলা শহর ও থানা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে আপনার দোরগোড়ায় পণ্য পৌঁছে যাবে।
অবশ্যই! পণ্য রিসিভ করার সময় যদি কোনো ত্রুটি বা গুণগত মানের সমস্যা দেখতে পান, তবে ডেলিভারি ম্যান থাকা অবস্থায় আমাদের হটলাইনে যোগাযোগ করে পণ্যটি পরিবর্তন বা ফেরত দিতে পারবেন। আমাদের গ্রাহক সন্তুষ্টিই প্রথম অগ্রাধিকার।