- হোম
- লইট্টা শুঁটকি (মোটা)
লইট্টা শুঁটকি (মোটা)
"Shutki Ghor Lalpur"-এর প্রিমিয়াম কোয়ালিটির মোটা লইট্টা শুঁটকি শতভাগ প্রাকৃতিকভাবে শুকানো এবং রাসায়নিকমুক্ত। সমুদ্রের তাজা লইট্টা মাছ সংগ্রহ করে অত্যন্ত হাইজেনিক উপায়ে এটি প্রস্তুত করা হয়। আকারে বড় ও মাংসল হওয়ায় এই শুঁটকি দিয়ে যেকোনো রান্না হয় অসাধারণ সুস্বাদু। যারা খাঁটি ও ঐতিহ্যবাহী শুঁটকির স্বাদ খুঁজছেন, তাদের জন্য আমাদের এই মোটা লইট্টা শুঁটকি একদম পারফেক্ট পছন্দ।
পণ্যের বিবরণ
বাঙালি খাদ্যরসিকদের কাছে লইট্টা শুঁটকির জনপ্রিয়তা সবসময়ই আকাশচুম্বী। আর সেই স্বাদে যদি থাকে শতভাগ বিশুদ্ধতার নিশ্চয়তা, তবে তো কথাই নেই! "Shutki Ghor Lalpur" আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে একদম বাছাইকৃত এবং আকারে বড় লইট্টা শুঁটকি (মোটা)।
আমাদের এই শুঁটকিটি সরাসরি উপকূলীয় অঞ্চলের অভিজ্ঞ জেলেদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। সাধারণত বাজারে যেসব শুঁটকি পাওয়া যায়, সেগুলোতে স্থায়িত্ব বাড়ানোর জন্য ক্ষতিকর ডিডিটি (DDT) পাউডার বা অতিরিক্ত লবণ ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আমরা আমাদের গ্রাহকদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে সম্পূর্ণ কেমিক্যাল ও বিষমুক্ত শুঁটকি সরবরাহ করি।
এই মোটা লইট্টা শুঁটকি চেনার উপায় হলো এর ভেতরের মাংসল অংশ। আকারে বড় হওয়ায় রান্নার পর এর চমৎকার টেক্সচার বজায় থাকে এবং চিবিয়ে খাওয়ার সময় আসল সামুদ্রিক মাছের স্বাদ পাওয়া যায়। এটি দিয়ে লইট্টা শুঁটকির ঝাল ভুনা, বেগুন-আলু দিয়ে চচ্চড়ি কিংবা স্পাইসি শুঁটকি ভর্তা তৈরি করলে নিমিষেই এক প্লেট ভাত শেষ হয়ে যাবে। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই শুঁটকিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি খাঁটি শুঁটকির স্বাদ পেতে আজই অর্ডার করুন।
প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ
- ১০০% কেমিক্যাল ও বিষমুক্ত: কোনো ধরনের ক্ষতিকর কীটনাশক বা প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়নি।
- প্রাকৃতিকভাবে শুকানো: কড়া রোদে এবং হাইজেনিক পরিবেশে চাতাল বা মাচায় শুকানো হয়েছে।
- আকারে বড় ও মাংসল: তুলনামূলকভাবে মোটা এবং মাংসে ভরপুর, তাই রান্নায় স্বাদ বেশি হয়।
- অতিরিক্ত লবণমুক্ত: শুঁটকির ওজন বাড়ানোর জন্য কোনো বাড়তি লবণ বা বালু মেশানো হয়নি।
- তাজা মাছের নিশ্চয়তা: পচা বা বাসি মাছ নয়, বরং তাজা লইট্টা মাছ দিয়ে এই শুঁটকি তৈরি।
উৎপত্তি ও সংগ্রহ
আমাদের এই মোটা লইট্টা শুঁটকি সরাসরি কক্সবাজার এবং মহেশখালীর উপকূলীয় শুঁটকি মহাল থেকে নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সংগ্রহ করা হয়।
উপযোগী রান্না
- লইট্টা শুঁটকির ঝাল-মসলাদার ভুনা।
- শীতকালীন সবজি (যেমন: বেগুন, আলু, মুলা) দিয়ে চচ্চড়ি।
- হাতে মাখা ঐতিহ্যবাহী লইট্টা শুঁটকির ভর্তা।
- বাঁধাকপি বা শাপলার সাথে লইট্টা শুঁটকির জুঁই।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
প্যাকেট খোলার পর শুঁটকিগুলো একটি এয়ারটাইট কাঁচের বয়াম বা প্লাস্টিক কনটেইনারে ভরে নরমাল ফ্রিজে রেখে ৬ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত ভালো রাখতে পারবেন। মাঝে মাঝে কড়া রোদে দিলে শুঁটকির ঘ্রাণ ও গুণগত মান দীর্ঘদিন অক্ষুণ্ণ থাকে।
প্যাকেজিং তথ্য
গ্রাহকের কাছে যেন শুঁটকির তীব্র গন্ধ না পৌঁছায় এবং পণ্যটি যেন নষ্ট না হয়, সেজন্য আমরা ফুড-গ্রেড ভ্যাকুয়াম প্যাকেজিং (Vacuum Packaging) বা জিপলক পলিতে এটি প্যাক করে থাকি। এতে শুঁটকি থাকে একদম ফ্রেশ ও আর্দ্রতামুক্ত।
মূল বৈশিষ্ট্য
- বাঁশের চাটায় প্রাকৃতিক ভাবে প্রক্রিয়াজাত, কোন রাসায়নিক নেই।
- প্রাকৃতিক ভাবে প্রক্রিয়াজাত, কোন রাসায়নিক নেই।
- দীর্ঘস্থায়ী ফ্রেশনেস বা সতেজতার জন্য ওডোর-লক (দুর্গন্ধরোধী) ভ্যাকুয়াম প্যাকেজিং।
- ১০০% কাঁকর এবং বালুমুক্ত কোয়ালিটির নিশ্চয়তা।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
আমাদের শুঁটকি পণ্য সম্পর্কিত কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর নিচে দেওয়া হলো
জী, আমাদের প্রতিটি শুঁটকি সম্পূর্ণ শতভাগ কেমিক্যাল ও বিষমুক্ত ঐতিহ্যবাহী উপায়ে রোদে শুকানো হয়। লালপুর এবং কক্সবাজারের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে কোনো প্রকার ক্ষতিকারক প্রিজারভেটিভ ছাড়াই এগুলো প্রস্তুত করা হয়।
যেহেতু আমাদের শুঁটকিতে কোনো কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ নেই, তাই স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এয়ারটাইট বক্সে রাখলে ২-৩ মাস ভালো থাকে। তবে নরমাল ফ্রিজে রেখে দিলে ৫-৬ মাস এবং ডিপ ফ্রিজে রাখলে ১ বছর পর্যন্ত এর স্বাদ ও গুণগত মান একদম অক্ষুণ্ণ থাকে।
ঢাকার মধ্যে সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ডেলিভারি দেওয়া হয়। আর ঢাকার বাইরে জেলা শহর ও থানা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে আপনার দোরগোড়ায় পণ্য পৌঁছে যাবে।
অবশ্যই! পণ্য রিসিভ করার সময় যদি কোনো ত্রুটি বা গুণগত মানের সমস্যা দেখতে পান, তবে ডেলিভারি ম্যান থাকা অবস্থায় আমাদের হটলাইনে যোগাযোগ করে পণ্যটি পরিবর্তন বা ফেরত দিতে পারবেন। আমাদের গ্রাহক সন্তুষ্টিই প্রথম অগ্রাধিকার।